সিলেটে ব্লগার ও বিজ্ঞান লেখক অনন্ত বিজয় দাশ (৩২) হত্যা মামলার আরেক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদনের সাক্ষী, মদনমোহন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল কাশেম গতকাল সিলেটের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুরুল আমিন বিপ্লব সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এরপর আদালত আগামী ৩ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করে। এ নিয়ে ২৯ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম জানান, অনন্ত বিজয়ের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় সাক্ষী হিসেবে ছিলেন আবুল কাশেম। মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণকালে আসামি আবুল খায়ের ওরফে রশিদ আহমদ ও শফিউর রহমান ফারাবীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
২০১৫ সালের ১২ মে সিলেট নগরীর সুবিদবাজারে নূরানি আবাসিক এলাকার নিজ বাসার সামনে খুন হন অনন্ত বিজয়। বিজ্ঞান লেখক ও ব্লগার অনন্ত বিজয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে পূবালী ব্যাংকে চাকরিতে যোগ দেন। হত্যাকান্ডের পরদিন অনন্তের বড়ভাই রতেœশ্বর দাশ বাদী হয়ে সিলেট বিমানবন্দর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে সিআইডি ইন্সপেক্টর আরমান আলী ২০১৭ সালের ৯ মে আদালতে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন- সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আবুল হোসেন, খালপাড় তালবাড়ির ফয়সাল আহমদ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের মামুনুর রশীদ, কানাইঘাটের ফালজুর গ্রামের মান্নান ইয়াইয়া ওরফে মান্নান রাহী ওরফে ইবনে মঈন, একই গ্রামের আবুল খায়ের ওরফে রশীদ আহমদ ও সিলেট নগরের রিকাবীবাজারের শফিউর রহমান ফারাবী।