ভার্চুয়াল সভায় তথ্যমন্ত্রী

মৌলবাদী গোষ্ঠীকে রুখতে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

মৌলবাদী অপশক্তিগুলো দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার যে অপচেষ্টায় লিপ্ত, তা রুখে দিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্রের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি। রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে মন্ত্রী ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো যুগে যুগে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে। আজকেও দেশের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে, নানা বিষয়ে অপব্যাখ্যা ও ফতোয়া দেওয়া হচ্ছে। এ ফতোয়াবাজরা নানা সময়ে ফতোয়া দিয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে বেতারসহ সমগ্র গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশ যাতে প্রগতির দিকে যায় এবং একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন দেশপ্রেম, মেধা ও মনন সমন্বয়ে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই গণমাধ্যমের অনুষ্ঠান নির্মাণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি সবকিছুর সঙ্গে বেতার জড়িয়ে আছে। বেতারের সেবাকে আরও এগিয়ে নিতে শিগগিরই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বেতার সম্প্রচার শুরু হবে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশ বেতারের সবচেয়ে বড় অর্জন। ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে শুনিয়েছিলেন তৎকালীন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ হান্নান। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র দেশের সমস্ত মুক্তিকামী মানুষকে প্রেরণা জুগিয়েছে। স্বাধীনতার পর দেশগঠনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে বেতার। খুলনা কেন্দ্রও গত ৫০ বছর ধরে এর ব্যতিক্রম নয়। বর্তমান কভিড পরিস্থিতি মোকাবিলাতেও বেতার অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।’

খুলনা কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক মো. বশির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য সচিব খাজা মিয়া, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদার অনলাইনে এবং খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুন অর রশীদ খুলনা বেতার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।