সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। বিশ্বজুড়ে প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। মৃত্যুও হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। আক্রান্ত অনুপাতে মৃত্যুর হার শুরুর দিক থেকে কিছুটা কম হলেও দেখতে দেখতে সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১৫ লাখের ঘর। এর মধ্যে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকায় ৪ লাখের বেশি মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩ লাখের ঘর পার করেছে আরও কয়েক দিন আগে। আর এশিয়া মৃত্যুতে ৩ লাখের মাইলফলক ছুঁলো গতকাল সোমবার।
করোনাভাইরাসের হালনাগাদ তথ্য দেওয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, গতকাল সোমবার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
মহাদেশ হিসেবে গতকাল পর্যন্ত ইউরোপে শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৯১ হাজার করোনা রোগী। মহাদেশটিতে মারা গেছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৫৪ জন। উত্তর আমেরিকায় ১ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। মহাদেশটিতে মৃত্যু হয়েছে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের। সেখানে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮০০ জনের।
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে গতকাল পর্যন্ত ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে আক্রান্তদের মধ্যে ৩ লাখ ৩৩ হাজার জনের।
এশিয়ায় গতকাল পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার ৭১৫ জন করোনা রোগী। আর মারা গেছে অন্তত ৩ লাখ ১ হাজার মানুষ।
আফ্রিকা মহাদেশে শনাক্ত হয়েছে ২২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮১ জন। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ হাজার ৯৬১ জনের। আর ওশেনিয়া মহাদেশে গতকাল পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৪৫ হাজার ৯৩৫ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২১ জনের।
এদিকে দেশ হিসেবে করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৫১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৪ জন। দেশটিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৯০৬ জনের। মোট মৃতের দিক থেকেও প্রথমে রয়েছে দেশটি।
আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৬ লাখ ৭৭ হাজার ৫২৯। এর মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ লাখ ৩ হাজার ৪০০। এর মধ্যে এক লাখ ৭৬ হাজার ৯৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। ফ্রান্স পঞ্চম। যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ। ইতালি সপ্তম। স্পেন অষ্টম। আর্জেন্টিনা নবম। কলম্বিয়া দশম। উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৬ হাজার ৬১৯। এর মধ্যে চার হাজার ৬৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।