একই গ্রুপের তিন কোম্পানি একীভূত করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় কেয়া কসমেটিকস। কিন্তু ২০১৪ সালে একীভূত করা হলেও এর কোনো সুফল পাননি শেয়ারহোল্ডাররা। উল্টো বড় অঙ্কের লোকসানে ডুবতে বসেছে কেয়া কসমেটিকস।
দীর্ঘদিন ধরে একীভূত হওয়া কোম্পানির পাওনা আদায় না হওয়ায় হিসাব থেকে তা বাদ দিতে হয়েছে। ফলে এক হিসাব বছরে রেকর্ড ১ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা লোকসান দেখিয়েছে আলোচিত আবদুল খালেক পাঠানের মালিকানাধীন কেয়া কসমেটিকস। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে এমন লোকসানের চিত্র উঠে এসেছে।
বড় অঙ্কের লোকসানের কারণে ২০১৯ হিসাব বছর শেষে কেয়া কসমেটিকসের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য নেমে এসেছে মাত্র ২ পয়সায়।
এ সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান দিয়েছে ১২ টাকা ৯৪ পয়সা। অবশ্য ২০১৯-২০ হিসাব বছরে কেয়া কসমেটিকস কিছুটা মুনাফার মুখ দেখেছে।
এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যও কিছুটা বেড়ে ২৫ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।