অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) জান্নাতুল ফেরদৌসী রূপার সম্পদের তথ্য চেয়ে তফসিলি ৫৬ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অভিযোগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের স্বাক্ষরে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দুদকের জনসংযোগ শাখার এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে রূপার চলতি, সঞ্চয়ী হিসাব, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, এফডিআরসহ যাবতীয় হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া অন্য এক চিঠিতে ডিএজি রূপাকে ২৭ জানুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে কমিশন। জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের কপি নিয়ে যেতে বলেছে কমিশন। এর আগে একই অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ৪ নভেম্বর রূপাকে তলব করেছিল দুদক। কিন্তু এ জিজ্ঞাসাবাদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করেন তিনি। পরে শুনানি শেষে গত ৩ ডিসেম্বর রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।
রূপা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত থাকায় দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে তাকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেয় আদালত। গত ২৮ অক্টোবর নোটিস পাঠিয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিম ডিএজি রূপাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ নভেম্বর দুদকে হাজির হতে বলেছিলেন।
ওই চিঠিতে বলা হয়, রাষ্ট্রের এ আইন কর্মকর্তা ‘বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণ করে জি কে শামীমসহ বিভিন্ন আসামির সঙ্গে আঁতাত করে জামিন করিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন’ বলে অভিযোগ রয়েছে দুদকের কাছে।