ভাস্কর্যবিরোধীদের ব্যাপারে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একই সঙ্গে এদের বিরুদ্ধে দলকেও সজাগ থাকতে হবে এবং দেশের মানুষকে সচেতন করতে হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় শেখ হাসিনা এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন বলে একাধিক বোর্ড সদস্য দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অর্থনীতির গতি সচল রাখতে দল ও সরকারকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা। মনোনয়ন বোর্ডে আগামী ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভায় অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। মনোনয়নের ক্ষেত্রে আগের নির্বাচনগুলোয় যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন তাদের মনোনয়ন না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকে আওয়ামী লীগ। এছাড়া বর্তমানে যারা মেয়র রয়েছেন তাদের মধ্যে যারা ভালো করেছেন তাদের মনোনয়ন দিয়ে পুরস্কৃতের নীতি অনুসরণ করা হয়। আর যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন তাদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে না। তৃতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আগামী ২৬ ডিসেম্বর মনোনয়ন বোর্ড ফের বৈঠকে বসবে বলে জানা গেছে।
মনোনয়ন পেলেন যারা : দিনাজপুর সদরে রাশেদ পারভেজ, বিরামপুরে আক্কাস আলী, বীরগঞ্জে নুর ইসলাম; নীলফামারীর সৈয়দপুরে রাফিকা আকতার জাহান; কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ফরহাদ হোসেন ধলু; গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আব্দুল্লা আল মামুন, সদরে শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর; বগুড়ার শেরপুরে আব্দুস সাত্তার, সারিয়াকান্দিতে আলমগীর শাহী, সান্তাহারে আশরাফুল ইসলাম (মন্টু); নওগাঁর নজিপুরে রেজাউল কবির চৌধুরী; রাজশাহীর কাকনহাটে এ,কে,এম আতাউর রহমান খান, ভবানীগঞ্জে আ. মালেক, আড়ানীতে শহীদুজ্জামান; নাটোরের নলডাঙ্গায় মনিরুজ্জামান মনির, গোপালপুরে কাজী আসিয়া জয়নুল, গুরুদাসপুরে শাহনেওয়াজ আলী; সিরাজগঞ্জ সদরে সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, উল্লাপাড়ায় এস.এম. নজরুল ইসলাম, বেলকুচিতে বেগম আশানুর বিশ্বাস, রায়গঞ্জে আব্দুল্লাহ আল পাঠান, কাজিপুরে আবদুল হান্নান তালুকদার; পাবনার ঈশ্বরদীতে ইছহাক আলী মালিথা, ফরিদপুরে খন্দকার কামরুজ্জামান (মাজেদ), সাঁথিয়ায় মাহবুবুল আলম, ভাঙ্গুড়ায় গোলাম হাসনাইন, সুজানগরে রেজাউল করিম; মেহেরপুরের গাংনীতে আহম্মেদ আলী; কুষ্টিয়া সদরে আনোয়ার আলী, কুমারখালীতে সামছুজ্জামান অরুণ, ভেড়ামারায় শামিমুল ইসলাম ছানা, মিরপুরে এনামুল হক; ঝিনাইদহের শৈলকূপায় কাজী আশরাফুল আজম; বাগেরহাটের মোংলা পোর্টে শেখ আব্দুর রহমান এবং মাগুরা সদরে খুরশীদ হায়দার টুটুল।
পিরোজপুর সদরে হাবিবুর রহমান মালেক; টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে খন্দকার মনজুরুল ইসলাম (তপন); কিশোরগঞ্জ সদরে পারভেজ মিয়া, কুলিয়ারচরে সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন; ঢাকার সাভারে হাজী মো. আবদুল গনি; নরসিংদীর মনোহরদীতে মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ; নারায়ণগঞ্জের তারাবে হাছিনা গাজী; ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সেলিম রেজা; শরীয়তপুর সদরে পারভেজ রহমান; ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় বিল্লাল হোসেন সরকার, ফুলবাড়ীয়ায় গোলাম কিবরিয়া; নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে লতিফুর রহমান রতন, কেন্দুয়ায় আসাদুল হক ভূঞা; সুনামগঞ্জ সদরে নাদের বখত, ছাতকে আবুল কালাম চৌধুরী, জগন্নাথপুরে মিজানুর রশীদ ভুঁইয়া; মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জুয়েল আহমেদ, কুলাউড়ায় সিপার উদ্দিন আহমদ; হবিগঞ্জের মাধবপুরে শ্রীধাম দাশগুপ্ত, নবীগঞ্জে গোলাম রসুল রাহেল চৌধুরী; কুমিল্লার চান্দিনায় শওকত হোসেন ভুঁইয়া; ফেনীর দাগনভূঞায় ওমর ফারুক খাঁন; নোয়াখালীর বসুরহাটে আবদুল কাদের; চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মোক্তাদের মাওলা সেলিম; খাগড়াছড়ি সদরে নির্মলেন্দু চৌধুরী এবং বান্দরবানের লামায় জহিরুল ইসলাম।