বাইরের যানবাহন, কলকারখানা, ধুলো থেকে বায়ুদূষণ হয় এ তথ্য সবাই জানি। কিন্তু ঘরের ভেতরের জিনিস থেকেও যে বায়ুদূষণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেটি সম্পর্কে অনেকেরই তেমন কিছু জানা নেই। এ বিষয় নিয়ে জেনে নিন কিছু তথ্য
রং : বাড়ি রং শেষে বেঁচে যাওয়া রং কোনো কাজে ব্যবহার করে ফেলুন অথবা ফেলে দিন। কারণ খোলা রঙের জায়গা থেকে ভিওসি বা ভলাটাইল অরগ্যানিক কম্পাউন্ডস গ্যাস বের হয়। যে গ্যাসের জন্য শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। দূষণ এড়াতে কম ভিওসি আছে এমন রং ব্যবহার করতে পারেন।
ক্লিনিং প্রোডাক্টস : ঘরের মেঝে, বাথরুম পরিষ্কার রাখতে, জীবাণু দূর করতে বিভিন্ন ক্লিনিং প্রোডাক্টস ব্যবহার করা হয়। খেয়াল রাখতে হবে জীবাণু দূর করতে গিয়ে ঘরের বাতাস যেন দূষিত হয়ে না যায়। ক্লিনিং প্রোডাক্টসের বদলে পানি, ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন।
অ্যারোসল স্প্রে : বাড়িতে ব্যবহার করা অ্যারোসল স্প্রে শরীরের নানা ক্ষতি করতে পারে। যে পরিমাণ ভলাটাইল অরগ্যানিক কম্পাউন্ডস গ্যাস আমাদের আশপাশে থাকে, তার ৫০ শতাংশ অ্যারোসল স্প্রে ব্যবহারের ফলে নিঃসৃত হয়। শুধু ঘরের ভেতরে নয়, ঘরের বাইরের বাতাসকেও দূষিত করে এইসব স্প্রে।
এয়ার ফ্রেশনার : ঘরে সুগন্ধ ছড়াতে ব্যবহার করা এয়ার ফ্রেশনার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় প্রায় ১০০ রকমের আলাদা আলাদা কেমিক্যাল। যেগুলো প্রত্যেকটাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার না করে বরং জানালা খুলে রাখুন, চালিয়ে রাখতে পারেন পাখা।
ড্রাই ক্লিনিং : ড্রাই ক্লিনিং করা কাপড়ের মধ্যে ভিওসি গ্যাস তৈরি হয়, যা ধীরে ধীরে বাতাসে মেশে। স্বাস্থ্যের ক্ষতিও হয় এতে। যেগুলো নিতান্তই ড্রাই ক্লিনিং ছাড়া ধোয়া সম্ভব নয়, সেগুলো বাদে বাকি কাপড় বাড়িতেই ধুয়ে নিন।