জীবনটাকে নতুন করে দেখতে চাই

লাক্স তারকা শানারেই দেবী শানু ব্যস্ত রয়েছেন অভিনয় ও লেখালেখি নিয়ে। সাম্প্রতিক ব্যস্ততা নিয়ে কথা বললেন দেশ রূপান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ্ত সাইদ খান

সাম্প্রতিক কাজ...

একটা ফিল্মের কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি বলে বিস্তারিত বলতে চাচ্ছি না। তবে এটা আর্টফিল্ম ঘরানার। এ মাসেই বিক্রমপুরে শ্যুটিং শুরু করব।

নাটক টেলিফিল্ম...

ইতিমধ্যে একটা টেলিফিল্ম করেছি। ‘ভুল ও ফুল’ নামে। গত মাসে এটার কাজ শেষ করেছি। চ্যানেল আইতে প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন বই...

ডিসেম্বরে আমার একটা উপন্যাস অনন্যা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। অনলাইনে এটার প্রি অর্ডার চলছে। বইটির নাম ‘আমার একটা তুই চাই’। অনলাইনে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। যদিও শুরুতে সন্দিহান ছিলাম যে অনলাইনে পাঠকরা আমার বই প্রি অর্ডার করবে কি না। তবে শেষ পর্যন্ত ভালো সাড়া পাচ্ছি। ‘আমার একটা তুই চাই’ প্রেমের উপন্যাস হলেও এতে মনস্তাত্ত্বিক টানাপড়েনের গল্পও আছে। এছাড়া বইমেলার জন্য আরেকটা উপন্যাস রেডি করছি। করোনা পরিস্থিতিতে বইমেলা আদৌ হবে কি না, হলে কেমন হবে? শেষ পর্যন্ত কী হবে তা জানি না। তবে আশা আছে আরেকটি বই প্রকাশ করব। বইমেলার নতুন উপন্যাসটাও রোমান্টিক ঘরানার হবে।

নতুন বছর নিয়ে পরিকল্পনা...

নতুন বছরে জীবনটাকে নতুন করে দেখতে চাই। নতুন করে পড়তে চাই, লিখতে চাই। নতুন নতুন কাজ করতে চাই। নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। যেহেতু আমি এখন সিরিয়াসলি লিখছি, সেজন্য নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য পড়ালেখা করতে চাই, নিজের বোঝাপড়াটা আরও বাড়াতে চাই। নিজের ভেতরের শক্তিটা আরও বৃদ্ধি করতে চাই।

ধর্মবিশ্বাস...

আমি মণিপুরী সম্প্রদায়ের মেয়ে। মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবাই হিন্দু ধর্মই ফলো করে। তারা শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত। আমি ছোটবেলা থেকে মণিপুরী সংস্কৃতিতেই বেড়ে উঠেছি। ফলে সেই অর্থে হিন্দু ধর্মই পালন করে এসেছি। ওই বিশ্বাসেই বড় হয়েছি। কিন্তু আমার বিয়ে হয়েছে খ্রিস্টান পরিবারে। এদিক থেকে আমাকে খ্রিস্টান ধর্মের আচার-আচরণ বা উৎসবগুলোও পালন করতে হয়। বলতে পারেন দুই ধর্মই পালন করছি। আর আমি মনে করি মানুষের ধর্ম আসলে একটাই। মানুষের বড় ধর্ম মানব ধর্ম। ফলে আমি কাগজ-কলমে খ্রিস্টান না হলেও বৈবাহিক সূত্রে খ্রিস্টান ধর্মের আচার-আচরণগুলোও পালন করি।

বড়দিনে...

বড়দিনে আমি শ্বশুরবাড়িতে রয়েছি। এখানে নানা ধরনের পরিকল্পনা থাকলেও এবার করোনার কারণে হচ্ছে না। প্রতি বছর তো ঘটা করে আমরা ক্রিসমাস পালন করি। আমার শ্বশুরবাড়িতে বড় বড় কেক আসে, লোকজনকে দাওয়াত দিয়ে আনা হয়। কিন্তু এবার এতকিছু হবে না। ঘরোয়া আয়োজনেই যতটা পারা যায় ততটাই করছি। বাচ্চা-কাচ্চাদের জন্য কিছু আয়োজন করা হয়েছে। এই তো।