সুযোগসন্ধানী অনুপ্রবেশকারী নয়, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বে ত্যাগীরাই থাকবেন বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘যারা দুঃসময়ে দল ও জননেত্রীর পাশে ছিলেন, তারাই নেতৃত্বে আসবেন, সুযোগসন্ধানীদের নেতৃত্বে বসানোর কোনো সুযোগ নেই।’
গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে নানা উদ্দেশ্য নিয়ে যারা আমাদের দলে প্রবেশ করেছে, তাদেরকে চিহ্নিত করে বের করে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। আজকে অর্থনৈতিক, মানব উন্নয়ন, সামাজিক সকল সূচকে আমরা পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছি, অনেক সূচকে আমরা ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছি এটা যাদের সহ্য হয় না, তারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
তিনি আরও বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করছেন। আপনারা দেখেছেন, সম্প্রতি করোনা মোকাবিলা নিয়ে ব্লুমবার্গ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উপমহাদেশে বাংলাদেশের অবস্থান সবার ওপরে। সমগ্র বিশ্বে করোনা মোকাবিলা দক্ষতায় বাংলাদেশ ২০তম স্থানে রয়েছে। আমরা করোনাকে কতটুকু সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারছি, এই রিপোর্টই তা বলে দিচ্ছে। তথাপি এ নিয়ে আত্মপ্রসাদ নয় বরং সবাইকে সতর্ক থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা মোকাবিলায় সাফল্য অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিজানুর রহমান খান সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু প্রমুখ।