সময়মতো নির্বাচনের পক্ষে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতিরা

পোশাক কারখানার মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হওয়ার পক্ষে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতিরা। গতকাল রবিবার রাজধানীতে এক বৈঠকে এ মত দেন তারা। বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। এর আগে গত রবিবার এক ভার্চুয়াল বৈঠকে করোনাভাইরাসের কারণে ৩ থেকে ৬ মাস নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রুবানা হক পর্ষদ। তবে সিদ্ধান্তটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর আগে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতিদের মতামত জানতে চেয়েছিল। গতকাল তারা সময়মতো নির্বাচনের পক্ষে মত দিলেন। সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আমরা আজ (রবিবার) সাবেক সভাপতিরা বসেছিলাম। সেখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। মনে করেছি সময়মতো নির্বাচন হওয়া উচিত। এটা সেক্টরের জন্য ভালো।’ প্রতি দুই বছর পরপর বিজিএমইএ নির্বাচন হয়। সেই হিসাবে আগামী মার্চের শেষ সপ্তাহ অথবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হওয়ার কথা। সাবেক সভাপতিরা নির্বাচন পেছানোর বিপক্ষে অবস্থান নিলেও রুবানা হক পর্ষদ চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বরাবর মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আদৌ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে কি না সে বিষয়ে রুবানা হকের প্যানেল ফোরামের কোনো নেতা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে রুবানা হকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ফারুক হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি সব সময়ই সময়মতো নির্বাচনের পক্ষে। তবে আমার দলের নেতাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

তবে নির্বাচন পেছানোর কোনো যৌক্তিকতা দেখছেন না সম্মিলিত পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ কাদের মনা। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বর্তমান পর্ষদ সমঝোতার পর্ষদ। ফোরাম একতরফাভাবে ভোট পেছানোর বিল পাস করেছে। সবকিছুই তারা একতরফাভাবে করেছে। আমরা চাই সময়মতো নির্বাচন। আরেকটা বিষয় সবার জানা উচিত, করোনাকালে আমরা যা কিছু পেয়েছি তা সরকার নিজ ইচ্ছাতেই দিয়েছে। এজন্য কাউকে কিছু চাইতে হয়নি। এর ক্রেডিট কেউ নিতে পারবেন না।’