শাহজাদপুরে বিএনপি এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার নির্বাচনে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। সোমবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পর বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হাসান সজল অভিযোগ করেন, প্রতিটি কেন্দ্র থেকে নৌকার সমর্থকেরা তার এজেন্টদের মারধর করে বের করে দিয়েছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনির আক্তার তরু লোদী বলেন, সকাল থেকে কোনো ভোট কেন্দ্রেই বিএনপি এজেন্টদের দেখা যায়নি। ফলে বের করে দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেনও বিএনপির অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমি শাহজাদপুর সরকারি পাইলট মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি আমার কাছে ফোনে অভিযোগ করেন। কিন্তু এ কেন্দ্রে তার কোনো এজেন্টই আসেনি। কোনো এজেন্টের কাগজপত্রও জমা দেওয়া হয়নি।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে ২৫টি কেন্দ্রে চলা ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

প্রথমবারের মতো এখানে ইভিএমের মাধ্যমে হচ্ছে ভোট। তাই ভোটারদের মধ্যে কৌতূহলও বেশি।

এতে ৫১ হাজার ৮৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এ নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনির আক্তার খান তরু লাদী (নৌকা), বিএনপির মাহমুদুল হাসান সজল (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির মোক্তার হাসন (লাঙ্গল) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার ইমরান (হাত পাখা) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ ছাড়া এ নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ আসনে কমিশনার পদে ৩৮ জন ও ৩টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে ৩ প্লাটুন বিজিবি টহলরত রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ৫/৬ জন করে পুলিশ এবং ১৫/১৬ জন করে আনসার মোতায়েন করা হয়েছে বলে জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানিয়েছেন।