যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসির ইউনাইটেড মেডিকেল সেন্টারে তিনি প্রথম ডোজ টিকা নেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্নার টিকা নেন। তার এই টিকা নেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। টিকা নেওয়ার সময় কমলা হ্যারিস মাস্ক পরেছিলেন। ওয়াশিংটন ডিসির যে মেডিকেল সেন্টারে কমলা টিকা নেন, সেটি আফ্রিকান-আমেরিকান অধ্যুষিত। এখানে করোনায় সংক্রমিত ও মৃত্যুর হার বেশি লক্ষ করা গেছে। করোনার টিকা নিতে সবচেয়ে অনাগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে আফ্রিকান-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্যরা রয়েছেন বলে জরিপে উঠে এসেছে।
টিকা নেওয়ার পর এটির ওপর আস্থা রাখতে আমেরিকার জনগণের প্রতি আহ্বান জানান কমলা হ্যারিস। তিনি বলেন, ‘আমি লোকজনকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তাদের সহায়তার বিশ্বস্ত উৎস (টিকা) রয়েছে।’
কমলা হ্যারিসের স্বামী ডগলাস এমহফও টিকা নিয়েছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২১ ডিসেম্বর করোনার টিকা নেন। এদিন তিনি ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার প্রথম ডোজ নেন। তার টিকা নেওয়ার দৃশ্যও টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
৭৮ বছর বয়সী বাইডেন ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের একটি হাসপাতালে টিকা নেন। তার স্ত্রী জিল বাইডেনও সেদিন টিকার প্রথম ডোজ নেন। টিকার নিরাপত্তার বিষয়ে আমেরিকার জনগণকে বাইডেনও আশ্বস্ত করেন।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিসহ দেশটির কয়েকজন রাজনীতিক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ক্যামেরার সামনে করোনার টিকা নিয়েছেন। মূলত টিকার বিষয়ে সন্দেহ দূর করে জনগণের মধ্যে আস্থা বাড়াতে এমনটা করা হচ্ছে।
অবশ্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত করোনার টিকা নেননি। তিনি কবে করোনার টিকা নেবেন, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। গত অক্টোবরে করোনায় সংক্রমিত হয়ে তিন দিন হাসপাতালে কাটান ট্রাম্প।