কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় বালু ভরাট নিয়ে যুবলীগের দুই পক্ষে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মানিকারচর বাজার এবং দুপুরে মেঘনা থানার সামনে সংঘঘের্ষ হয়।
এতে উভয়পক্ষে আহত ছয়জনকে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।
জানা যায়, উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের সিকিরগাও গ্রামে ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে যুবলীগের বাতেন ও হেলাল উদ্দিন পক্ষের মধ্যে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছিল। ওই গ্রামে ড্রেজার চালু করেন হেলাল উদ্দিন। ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন বৃহস্পতিবার সকালে হেলালকে ড্রেজার চালাতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে দুপুরে মানিকারচর বাজারে উভয় পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে হেলালের পক্ষের রুবেল(২৫), আকিব (১৮), ছবিন (৫৫) ও টিপু (৪০) আহত হন বলে জানান তিনি। এরপর মেঘনা থানার সামনে আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে বাতেনের বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ধনু মেম্বার (৭০) ও শামীম (৩৫) আহত হন। ধনু মেম্বার ছাড়া বাকি পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
মানিকারচর ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি কাসিপুর নদীতে ড্রেজার বসিয়ে সিকিরগাও এলাকায় বালু ভরাট শুরু করি। বাতেন আমার ড্রেজারের নিকট গিয়ে একলাখ টাকা দাবি করে। না হলে ড্রেজার চালতে দেবে না বলে ধমক দেয়। এরপরই বাজারে আসলে আমার লোকজনের ওপর হামলা করে বাতেন ও তার লোকজন।
মানিকারচর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাতেনের ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
মেঘনা থানার ওসি আব্দুল মজিদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে হেলাল এবং বাতেনের মধ্যে মারামারির কথা শুনেছি। কেউ অভিযোগ করেনি।