কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে পানির গুরুত্ব অপরিসীম। পানির খরচ কমাতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও বাণিজ্যিকীকরণে উৎপাদন ব্যয় কমাতে হবে। বর্তমান সরকার কৃষকের কল্যাণে কাজ করছে। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সেচ ভবনের অডিটরিয়ামে ডিজিটাইজেশন অব গ্রাউন্ডওয়াটার মনিটরিং ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অব মাইনর ইরিগেশন শীর্ষক সেমিনারে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এ পানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার খাল কাটা কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। বিএডিসি উন্নতমানের বীজ উৎপাদন করে কৃষিতে অবদান রাখছে। বিজ্ঞানী, শিক্ষক, বিএডিসি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সবাইকে নিয়ে সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন নতুন কৃষিপ্রযুক্তি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
সেমিনারে কৃষি সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেন, টেকসই কৃষির জন্য অন্যতম উপাদান সেচ। বিএডিসি কৃষকের কাছে সাশ্রয়ীমূল্যে পানি দিয়ে থাকে। বিএডিসির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর মনিটরিং করা হয়। কভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশনায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়েছে।
এদিন কৃষিমন্ত্রী বিএডিসির সেচ ভবন কমপ্লেক্সে নবনির্মিত রেস্ট হাউজ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএডিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. সায়েদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী সেচযন্ত্রের জরিপ প্রতিবেদন ২০১৯-২০-এর মোড়ক উন্মোচন করেন। সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে জরিপ ও পরিবীক্ষণ ডিজিটাইজেশনকরণ প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ।