করোনা মহামারীর প্রভাব মোকাবিলায় ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার আরও দুটি প্রণোদনা প্যাকেজ আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রণোদনা প্যাকেজগুলো অনুমোদন করেছেন। এগুলোর বাস্তবায়ন খুব শিগগির শুরু হবে বলে গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, করোনাভাইরাস মহামারীর প্রভাব মোকাবিলায় এসএমই খাতে গতি সঞ্চার, গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং অতিদরিদ্র বয়স্ক ও বিধবাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রী নতুন দুটি প্রণোদনা কর্মসূচি অনুমোদন করেছেন। কর্মসূচি দুটির মোট বরাদ্দ ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা, যার বাস্তবায়ন অবিলম্বে শুরু হবে।
তিনি বলেন, নতুন অনুমোদিত এই দুটিসহ মোট প্রণোদনা প্যাকেজের সংখ্যা হলো ২৩টি। যার মোট আর্থিক পরিমাণ ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ কোটি টাকা, এটি জিডিপির ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী যে উদ্দেশ্যে দুটি প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন, তা কার্যকর হবে। নতুন এ দুটি প্রণোদনার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে। পাশাপাশি অর্থনীতিতেও আরও গতি সঞ্চার হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন প্রথম প্যাকেজটির আকার ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর আওতায় এসএমই খাত এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নেওয়া কার্যক্রম সম্প্রসারণে এসএমই ফাউন্ডেশনকে ৩০০ কোটি, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থা (বিসিককে) ১০০ কোটি এবং জয়িতা ফাউন্ডেশনকে ৫০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।
পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম নিতে এনজিও ফাউন্ডেশনকে ৫০ কোটি, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, পল্লীদারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে ৩০০ কোটি করে এবং ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।
দ্বিতীয় প্যাকেজের আকার ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এ টাকায় আগামী অর্থবছর দেশের ১৫০ উপজেলায় দরিদ্র বয়স্ক এবং বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীর ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।