লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউপি চেয়ারম্যান বশির আহম্মেদ মানিককে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ১৪ জানুয়ইর বহিষ্কারের খবরে উল্লসিত হয়ে বশির আহম্মেদ মানিক সমর্থিতদের বাড়ীঘরে হামলা চালিয়েছে একটি গ্রুপ।
এ সময় হামলাকারীরা ভোলাকোট গ্রামের ফরাজি বাড়ির ৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে। বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুরে বাধা দিতে এসে আবদুর রব (৪৫), ফাতেমা বেগম (৪০), মোতাহের (৫৫) ও মো. রিপনকে বেদম মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জুয়েলের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন আহতরা। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
মো. আব্দুর রব, আমির হোসেন, ফাতেমা বেগম, মোতাহের হোসেন ও মো. রিপন হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী জাহিদুল ইসলাম জুয়েলের নেতৃত্বে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমাদের বাড়ির ৪টি বসতঘর ভাঙচুর করে ও আমার ভাই বোনদের বেদম মারধর করে। পরে রাত ১১টায় পুলিশ আসায় আমরা প্রাণে রক্ষা পাই।
এ ঘটনায় আহত রিপন হোসেন ও মো. মোতাহের হোসেন আরো বলেন, আমরা ও আমাদের আত্মীয়স্বজন চেয়ারম্যান বশির আহম্মেদ মানিকের নিকটাত্মীয়। আমরা বশির আহম্মেদ মানিকের বিভিন্ন সভা-সেমিনার ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক যুবলীগ সভাপতি জাহীদুল ইসলাম জুয়েল ও তার অনুসারীগণ আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আমাদের ৪টি বসতঘর ভাঙচুর করে।
এ ব্যাপারে জাহীদুল ইসলাম জুয়েল জানান, আমার পাওনা টাকা চাইতে গেলে রিপনসহ তার লোকজন আমার উপর হামলা চালায়।
তবে রিপনের কাছে কিসের টাকা পাবেন এ কথার কোন সদুত্তর তিনি না দিয়ে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
হামলার বিষয়ে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আজ বুধবার বিকেল পর্যন্ত রামগঞ্জ থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।