বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ ও নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী তুরস্ক। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও ফরেন ইকোনমিক রিলেশন বোর্ড অব তুর্কি (ডিইআইকে) আয়োজিত ‘তুরস্ক অ্যান্ড বাংলাদেশ : এ নিউ এরা ইন ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক ওয়েবিনারে এ আশা প্রকাশ করেন ডিইআইকে সভাপতি নেল ওলপাক।
অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ পরিস্থিতি ও ১২ বছরের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয় এবং ২০৪১ সালে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হব। বাংলাদেশে বিনিয়োগে রয়েছে শতভাগ রপ্তানির সুযোগসহ বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার। ফলে বাংলাদেশ এখন নিরাপদ বিনিয়োগের আস্থায় পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের আন্তর্জাতিক মানের সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছি। বর্তমানে আমরা ওএসএসের মাধ্যমে ৪১টি সেবা দিচ্ছি। এ বছরের শেষ নাগাদ আরও ৩৫ সংস্থার মাধ্যমে মোট ১৫৪টি সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময় তিনি তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
ওয়েবিনারে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশ। বিশে^ প্রবৃদ্ধির নিরিখে অগ্রসর ২০ দেশের অন্যতম বাংলাদেশ। আমরা বাংলাদেশকে বিনিয়োগবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণসহ বৃহৎ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আগামী জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান।
ডিইআইকে সভাপতি নেল ওলপাক বাংলাদেশের ক্রম উন্নয়নের প্রশংসা করে এখানকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহযোগী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তুরস্কের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এনার্জি, হেলথ কেয়ার, ট্যুরিজম, আইসিটি, টেক্সটাইল এবং এগ্রি প্রসেসিং বিপুল বিনিয়োগসহ বাংলাদেশে নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে চায়।