ঋণের নামে টাকা আত্মসাৎ

পি কে হালদারসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা

নামসর্বস্ব ও কাগুজে ৫ প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৫১ কোটি টাকার ভুয়া ঋণ অনুমোদন ও আত্মসাতের অভিযোগে আত্মগোপনে থাকা পি কে হালদার ও তার ৩২ সহযোগীর বিরুদ্ধে ৫টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাগুলো করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের সচিব মুহা. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বোর্ডের সদস্যরা অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে ভুয়া ও কাগুজে ৫টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৫০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ঋণ দিয়ে আত্মসাৎ ও পাচার করেছেন।’

দুদক সচিব জানান, এসব মামলায় পি কে হালদার ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, সাবেক এমডি মো. রাশেদুল হক, ৯ জন বোর্ড সদস্য, পিপলস লিজিংয়ের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী, পি কে হালদারের স্বজনসহ ৩৩ সহযোগীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

মামলাগুলোর মধ্যে আনান কেমিক্যাল লিমিটেডের নামে ৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা, সুখাদা প্রপার্টিজ লিমিটেডের নামে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা, মেসার্স বর্ণর নামে ৬৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, রাহমান কেমিক্যালস লিমিটেডের নামে ৫৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং মুন এন্টারপ্রাইজের নামে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ভুয়া ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ ও পাচার করার অভিযোগ আনা হয়।

মামলার আসামিদের মধ্যে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়াররম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাবেক এমডি রাশেদুল হককে রবিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে দুদক। এক মামলায় এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনান কেমিক্যাল লিমিটেডের নামে ৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পি কে হালদার ছাড়াও আসামিদের মধ্যে আছেন আনান কেমিক্যালের এমডি অমিতাভ অধিকারী (৩৫), পরিচালক প্রিতিশ কুমার হালদার (৪৭), উজ্জ্বল কুমার নন্দী (৪০), পূর্ণিমা রানী হালদার (৩৮), রাজিব সোম (৩৮), রতন কুমার বিশ্বাস (৪১), ওমর শরীফ (৪৫) ও মো. নুরুল আলম (৫৫), ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ার (৫৬), নুরুজ্জামান (৬০), এম এ হাশেম (৮২), মোহাম্মদ আবুল হাসেম (৫৫), জহিরুল আলম (৬৯), মো. আনোয়ারুল কবীর (৬১), মো. নওশেরুল ইসলাম (৪৫), বাসুদেব ব্যানার্জি (৫৮) ও মিজানুর রহমান (৮২), সাবেক এমডি রাশেদুল হক (৪৫), সাবেক ভারপ্রাপ্ত এমডি সৈয়দ আবেদ হাসান (৩৮), ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদা রুনাই (৩৭), এভিপি আল মামুন সোহাগ (৩৫), সিনিয়ার ম্যানেজার রাফসান রিয়াদ চৌধুরী (৩৬), কোম্পানি সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান (৫৪)।

ঋণের নামে টাকা আত্মসাৎ

পি কে হালদারসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নামসর্বস্ব ও কাগুজে ৫ প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৫১ কোটি টাকার ভুয়া ঋণ অনুমোদন ও আত্মসাতের অভিযোগে আত্মগোপনে থাকা পি কে হালদার ও তার ৩২ সহযোগীর বিরুদ্ধে ৫টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাগুলো করা হয়েছে

পৃষ্ঠা ২ কলাম ২ >

 

 

পি কে হালদারসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা

বলে জানিয়েছেন দুদকের সচিব মুহা. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বোর্ডের সদস্যরা অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে ভুয়া ও কাগুজে ৫টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৫০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ঋণ দিয়ে আত্মসাৎ ও পাচার করেছেন।’

দুদক সচিব জানান, এসব মামলায় পি কে হালদার ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, সাবেক এমডি মো. রাশেদুল হক, ৯ জন বোর্ড সদস্য, পিপলস লিজিংয়ের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী, পি কে হালদারের স্বজনসহ ৩৩ সহযোগীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

মামলাগুলোর মধ্যে আনান কেমিক্যাল লিমিটেডের নামে ৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা, সুখাদা প্রপার্টিজ লিমিটেডের নামে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা, মেসার্স বর্ণর নামে ৬৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, রাহমান কেমিক্যালস লিমিটেডের নামে ৫৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং মুন এন্টারপ্রাইজের নামে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ভুয়া ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ ও পাচার করার অভিযোগ আনা হয়।

মামলার আসামিদের মধ্যে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়াররম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাবেক এমডি রাশেদুল হককে রবিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে দুদক। এক মামলায় এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনান কেমিক্যাল লিমিটেডের নামে ৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পি কে হালদার ছাড়াও আসামিদের মধ্যে আছেন আনান কেমিক্যালের এমডি অমিতাভ অধিকারী (৩৫), পরিচালক প্রিতিশ কুমার হালদার (৪৭), উজ্জ্বল কুমার নন্দী (৪০), পূর্ণিমা রানী হালদার (৩৮), রাজিব সোম (৩৮), রতন কুমার বিশ্বাস (৪১), ওমর শরীফ (৪৫) ও মো. নুরুল আলম (৫৫), ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ার (৫৬), নুরুজ্জামান (৬০), এম এ হাশেম (৮২), মোহাম্মদ আবুল হাসেম (৫৫), জহিরুল আলম (৬৯), মো. আনোয়ারুল কবীর (৬১), মো. নওশেরুল ইসলাম (৪৫), বাসুদেব ব্যানার্জি (৫৮) ও মিজানুর রহমান (৮২), সাবেক এমডি রাশেদুল হক (৪৫), সাবেক ভারপ্রাপ্ত এমডি সৈয়দ আবেদ হাসান (৩৮), ভাইস প্রেসিডেন্ট নাহিদা রুনাই (৩৭), এভিপি আল মামুন সোহাগ (৩৫), সিনিয়ার ম্যানেজার রাফসান রিয়াদ চৌধুরী (৩৬), কোম্পানি সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান (৫৪)।