বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে শনাক্তের সংখ্যা সাড়ে ১০ কোটি ছাড়িয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা ২৩ লাখ ছুঁইছুঁই। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস এসব তথ্য জানিয়েছে।
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারীতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৯টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ৪৯৬। এর মধ্যে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৭ কোটি ৭১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৩৬ জন।
বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে করোনায় সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯০ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮৮ আর সুস্থ হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ৩১ হাজার ৬২৯ জন।
ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। দেশটিতে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৩ হাজার ৫৩৩ জনের শরীরে। এর মধ্যে মারা গেছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬২ আর সুস্থ হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৮ জন।
করোনা সংক্রমণের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে করোনায় সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭৬৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৩ এবং সুস্থ হয়েছে ৮২ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৩ জন।
তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ, যুক্তরাজ্য পঞ্চম, ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম ও জার্মানি রয়েছে দশম অবস্থানে। এছাড়া ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের অবস্থান তালিকায় ৮৩তম স্থানে। আর দেশটিতে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ হাজার ৬৬৯ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেখানে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় গত বছর ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে ধীরে ধীরে সারাবিশ্বে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গত বছর ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে। এরপর গত ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।