চট্টগ্রাম বন্দর

পাওয়ার লুম ঘোষণায় এলো সার্কিট ব্রেকার-প্রসাধনী

চট্টগ্রাম বন্দরে পাওয়ার লুম ঘোষণায় আনা সার্কিট ব্রেকার ও প্রসাধন সামগ্রীর একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস। মিথ্যা ঘোষণায় আনা এই চালানের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।

কাস্টমস সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্র্স সোহেল টেক্সটাইল দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পুরাতন পাওয়ার লুম (বৈদ্যুতিক তাঁত) ঘোষণায় তিন কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রেয়াতি সুবিধার আওতায় আমদানিকৃত ৬৯ হাজার ৫৬৯ কেজি পাওয়ার লুম খালাসের জন্য কাস্টম হাউজে গত ১৭ জানুয়ারি বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল আমদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি মল্লিকা ট্রেডার্স। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কন্টেইনারগুলো আটক করে কাস্টম হাউস, চট্টগ্রামের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে কায়িক পরীক্ষায় পুরাতন আমদানি নিষিদ্ধ প্রায় ৩০ হাজার ৮৫০ কেজি সার্কিট ব্রেকার  ও উচ্চ শুল্কের বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক সামগ্রী পাওয়া যায়। 

কাস্টমসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম জানান, আমদানকারক প্রতিষ্ঠান রেয়াতি সুবিধায় সেকেন্ড হ্যান্ড পাওয়ার লুম আমদানির ঘোষণা দিয়ে ঘোষণাবহির্ভূত ও আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি করায় পণ্যগুলো রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা ঘোষণায় উচ্চ শুল্কের পণ্য আমদানির অভিযোগে  কাস্টম আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।