ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। যত দ্রুত সম্ভব উভয় দেশের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পিটিএর সুবিধা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টশিলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান এবং শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগামী মার্চে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং করে উভয় দেশের প্রয়োজনীয় কাজগুলো শেষ করা যায়। ভুটানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, প্লাইউড, মিনারেল ওয়াটার, জুস, ওষুধ, শুকনো খাবারসহ অনেক পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি পরিবহন চালু হলে উভয় দেশ বাণিজ্যিকভাবে উপকৃত হবে।
ভুটানের রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাক্ষরিত পিটিএর সুবিধা গ্রহণের জন্য ভুটান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। আসন্ন জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় প্রয়োজনীয় সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। বাণিজ্য সহজ ও দ্রুত করতে বাংলাদেশের বুড়িমারী, বাংলাবান্ধা, সোনাহাট এবং আখাউড়া স্থলবন্দরের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে তৃতীয় কোনো পক্ষের সহযোগিতা ছাড়াই সরাসরি বাণিজ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য রাসায়নিক সার আমদানি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভুটানে ৭.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, একই সময়ে আমদানি করেছে ৪৯.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।