আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাট খাতের বকেয়া ঋণও ব্লক সুবিধা পাবে

ব্যাংকের মতো লিজিং কোম্পানিগুলোর পাট খাতের বকেয়া ঋণ পরিশোধে বড় ধরনের ছাড় দিল সরকার। ফলে পাট খাতের বকেয়া ঋণের সুদ ও আবশ্যকীয় ক্ষেত্রে আসল বা এর অংশবিশেষ সুদবিহীন ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করার সুযোগ পাবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। অর্থ মন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে গত জানুয়ারিতে ব্যাংকগুলোকেও একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।  আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জারি করা সার্কুলারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পাট খাতের বকেয়া ঋণ পরিশোধে দুই বছর কিস্তি স্থগিতসহ (গ্রেস পিরিয়ড) ১০ বছর সময় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

তবে ব্লক সুবিধা নেওয়ার পর নতুন করে নেওয়া ঋণ ফের ব্লক সুবিধার আওতায় আনলে গ্রেস পিরিয়ড হবে এক বছর। এই সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে পাট খাতের প্রতিটি ঋণ বকেয়া থাকার ব্যাপারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সন্তুষ্টজনক কারণ থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে বকেয়া ঋণ নবায়ন করার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৭ ডিসেম্বর জারি করা এক স্মারকের বরাত দিয়ে বলা হয়, জাতীয় অর্থনীতিতে পাট খাতের অবদান বিবেচনায় নিয়ে ঋণগ্রহীতাদের ঋণ হিসাবের জন্য ব্লক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন নগদ জমা নিশ্চিত করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরেকটি নির্দেশনায় বলা হয়, পাট খাতের জন্য প্রবর্তিত বাংলাদেশ ব্যাকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় দেওয়া ঋণগুলো বিশেষ সুবিধা সংবলিত ঋণের জন্য এই ব্লক সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। এ ধরনের পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় নেওয়া ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ বকেয়া থাকা অবস্থায় কোনো ঋণের জন্য ব্লক সুবিধা বিবেচনা করা যাবে না।