বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর!

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের (একাংশ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনের বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালাইয়া বন্দরবাজারসংলগ্ন ল্যাংড়ামুন্সির পুল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের পুত্রবধূ ফারজানা ওরফে ইমা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা এক স্বজনের বাড়ি থেকে দাওয়া খেয়ে বিকেলে বাড়িতে ফিরি। এরপর আমার তিন বছরের ছেলে, শাশুড়ি রাশিদা বেগম ও খালাশাশুড়ি রেহেনা বেগমকে নিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। এ সময় সাড়ে ৫টার দিকে আতিকুর রহমান মোহনের নেতৃত্বে মামুন, রিপন, ওলি, শান্ত, নাসির, বাশার মৃধা, পঙ্কজ, তুহিন, শাহিনসহ ৫০-৬০ জন তাদের            পৃষ্ঠা ১১ কলাম ১ >

 

 

 

বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর!

বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। ঘরে থাকা ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।’

আতিকুর রহমান মোহন দাসপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (একাংশ) সভাপতি নিলুফা বেগমের ছেলে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে আতিকুর রহমানের পরিবারের বিরোধ চলে আসছে। সর্বশেষ ওই ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গীর হোসেন। ওই সময় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আতিকুরের বাবা মো. জামাল হোসেন মৃধা। কিন্তু ওই নির্বাচনে হেরে যান। তিনি মারা যাওয়ার পর এখন আতিকুর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে চান।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আতিকুরের অত্যাচারে আমার অনেক কর্মী-সমর্থক এলাকায় থাকতে পারছে না। আমিও আতঙ্কে আছি। গত রবিবার সকালে আতিকুর তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার বাসার সামনে এসে ঘোরাঘুরি করে। আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। বিষয়টি বাউফল থানার ওসিকে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানাই। কিন্তু তিনি কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণেই আজ (গতকাল) আমার ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করার সাহস পেয়েছে।’

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আতিকুল ইসলাম মোহন বলেন, ‘আমি স্থানীয় এমপির সঙ্গে একটি দলীয় মিটিংয়ে ছিলাম। তারা নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে আমার ও আমার লোকজনের ওপর চাপাতে চায়।’

বাউফল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’