হুয়াওয়েকে ‘হুমকি’ বলছে বাইডেন প্রশাসনও

ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো জো বাইডেনের আমলেও হুয়াওয়েসহ পাঁচটি চীনা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল যোগাযোগ কমিশন (এফসিসি)।

রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে পাশ হওয়া একটি আইনের অধীনে ওই পাঁচ চীনা প্রতিষ্ঠানকে হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এফসিসি জানিয়েছে, চীনের হুয়াওয়ে টেকনোলজিস কোম্পানি, জেডটিই করপোরেশন, হিটেরা কমিউনিকেশনস করপোরেশন, হ্যাংজু হিকভিশন ডিজিটাল টেকনোলজি ও জেহিয়াং ডাহুয়া টেকনোলজি কোম্পানিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ওই আইন অনুযায়ী, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ’ এমন সব টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী ও পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলো শনাক্ত করবে এফসিসি।

শুক্রবার এফসিসির নতুন বিবৃতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে হুয়াওয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে রয়টার্স। কিন্তু তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

অনেক আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীনের হয়ে কাজ করছে হুয়াওয়ে এবং  ফাইভজি নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে চীন সরকারের হাতে তারা তথ্য তুলে দেবে।

চীনা অ্যাপ টিকটক নিয়েও যুক্তরাষ্ট্র অস্বস্তিতে আছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যেও বিপাকে আছে হুয়াওয়ে। যুক্তরাজ্যের মোবাইলফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো চীনা কোম্পানি হুয়াওয়ের আর কোনো ৫-জি পণ্য কিনতে পারছে না।

এ ছাড়া ২০২৭ সালের মধ্যেই তাদের নেটওয়ার্ক থেকে হুয়াওয়ের ৫-জি যন্ত্রাংশ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।