দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে। এরই প্রভাবে এক দিনের ব্যবধানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
গতকাল রবিবার বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে ২৫-২৬ টাকা কেজি বিক্রি হয়, দুদিন আগেও যা ছিল ৩০-৩১ টাকা। একইভাবে নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৩২-৩৩ ও সাউথের নতুন জাতের পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বন্দরের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহিনুর রেজা জানান, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে এতদিন আমদানি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। সরবরাহ সংকট দূর করতে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ানো হয়েছে। এরই প্রভাব বাজারে পড়েছে। আইপি প্রদান শিথিল ও সহজ করলে পেঁয়াজ আমদানি আরও বাড়বে, আসন্ন রমজানেও বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে জানান তিনি।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘আগে দিনে দুই-তিন ট্রাক এলেও গত বৃহস্পতিবার বন্দরে সাত ট্রাকে ১৭৯ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। গত শনিবার ২৫ ট্রাকে ৬৮৬ এবং আজ (গতকাল) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১২ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।’
পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর গত ২ জানুয়ারি থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে থাকেন ব্যবসায়ীরা। তবে শুল্ক আরোপ ও দেশীয় পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় দামে পোষাতে না পেরে ২৭ জানুয়ারি আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। তবে বাজারে সংকট দেখা দেওয়ায় গত ৪ মার্চ থেকে ফের আমদানি শুরু হয়।