জনতা ব্যাংকের উন্নতি হলে মুজিব কর্নার দেখতে যাবেন অর্থমন্ত্রী

জনতা ব্যাংকের আর্থিক উন্নতি হলে সেখানে স্থাপিত মুজিব কর্নার সশরীরে দেখতে যাবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ব্যাংকের পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রীকে মুজিব কর্নার দেখতে আসার অনুরোধ করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা আরও কঠোর পরিশ্রম করুন। ব্যাংকের অবস্থা আরও উন্নত হোক। গভর্নরকে সঙ্গে নিয়ে আমি আনন্দচিত্তে জনতা ব্যাংকে যাব।’

গতকাল রবিবার ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে রাজধানীর মতিঝিলে জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ১২ তলায় স্থাপিত মুজিব কর্নার উদ্বোধনকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় অর্থমন্ত্র্রী সব ধরনের অনিয়ম-অপচয় রোধ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।  অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবির বলেন, ‘জনতা ব্যাংকের আমানত ও তারল্য শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এটা আশার কথা। তবে জনতা ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়াতে হলে খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে হবে। ঋণ আদায়ে আরও কঠোর শ্রম দিতে হবে। তাহলে সম্পদের গুণগত মান বাড়বে। মূলধন পর্যাপ্ততায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুছ ছালাম আজাদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে কভিড পরিস্থিতিতেও রেমিটেন্স আহরণ এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ বৃদ্ধিতে আমরা রেকর্ড গড়েছি।’

অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংকের পরিচালক অজিত কুমার পাল, মেশকাত আহমেদ চৌধুরী, কে এম সামছুল আলম, জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও হেলাল উদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. আতাউর রহমান প্রধান, অগ্রণী ব্যাংকের এমডি মো. শামস-উল ইসলাম, কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলী হোসাইন প্রধানিয়া, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের এমডি কাজী আলমগীর, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি মো. ইসমাইল হোসেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের এমডি মো. তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।