নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব দুর্বল কোম্পানিতে পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে, সেসব কোম্পানির ঋণের দায় স্বতন্ত্র পরিচালকদের নিতে হবে না। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে স্বতন্ত্র পরিচালকরা খেলাপিও হবেন না। স্বতন্ত্র পরিচালকদের কোম্পানির ঋণের দায় থেকে মুক্তি দিয়ে গত ২২ মার্চ এমন নির্দেশনা জারি করেছে এসইসি।
নির্দেশনায় এসইসি জানিয়েছে, ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থিত, সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে না ও ৩ বছরের বেশি সময় লভ্যাংশ দেয় না এমন কোম্পানিগুলোতে স্বতন্ত্র পরিচালকরা ঋণ বা অন্য কোনো দায়ের জন্য ব্যক্তিগত গ্যারান্টি দেবেন না। এছাড়া তারা এ জাতীয় কোম্পানির জন্য ঋণখেলাপি হবেন না।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এ জাতীয় কোম্পানিতে পর্ষদ ৩ সদস্যের সাব-কমিটি গঠন করবে। এরমধ্যে কমপক্ষে ১ জন স্বতন্ত্র পরিচালক থাকবেন। কোম্পানিগুলোর পর্ষদ বছরে কমপক্ষে ৪টি সভা করবে। তবে মাসে কোনোভাবেই চারটির বেশি সভা করা যাবে না। তবে প্রথম চার মাস চারটির বেশি সভা করা যাবে। কিন্তু পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রথম দুই মাসে ৮টির বেশি এবং পরবর্তী ২ মাসে ৬টির বেশি করা যাবে না।
এদিকে সাব-কমিটিও বছরে কমপক্ষে ৪টি সভা করবে। তবে মাসে একটির বেশি করতে পারবে না। কিন্তু পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রথম দুই মাস সর্বোচ্চ দুটি সভা করা যাবে। পরিচালনা পর্ষদ ও সাব-কমিটির সব পরিচালক সভার জন্য সম্মানী পাবেন বলে এসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে। তবে প্রতিটি সভার জন্য সম্মানী ফি হিসেবে কেউ ৮ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবেন না।