২০-৩১ সাল নাগাদ ২ কোটির বেশি মানুষ অভিবাসী হবে

অভিবাসন বর্তমানে একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। অভিবাসনের জন্য মূলত পুশ ফ্যাক্টর ও পুল ফ্যাক্টর দায়ী। তাছাড় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন নতুন সংকট তৈরি করছে যা ভবিষ্যতেও ফোর্সড মাইগ্রেন্টের সংখ্যা বাড়াবে। এজন্য আমাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। যারা বিভিন্ন কারণে অভিবাসনে বাধ্য হয় তাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি তা নিয়ে ভাবতে হবে। তাদের মানবাধিকার যেভাবে রক্ষা হয় সেভাবে তাদের সক্ষম করে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ডেল্টা প্ল্যান হাতে নিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার একশনএইড বাংলাদেশ কর্র্তৃক আয়োজিত ‘এড্রেসিং ক্লাইমেট চেঞ্জ ইনডিউসড মাইগ্রেশন ইন বাংলাদেশ : টেকিং এ হিউমেন রাইটস বেজড এপ্রোচ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের পরিচালক এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ সালিমুল হক।

তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশ নয় এটি গ্লোবাল ইস্যু। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যেন কারও অভিবাসন না ঘটে সেজন্য স্থানীয় পর্যায়ে বেশি কাজ করতে হবে। দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত একশনএইড বাংলাদেশ-এর সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।