মাঠে খেলেছে নেপাল ও কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দল। অথচ শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে স্বস্তির সুবাতাস বইতে শুরু করেছে বাংলাদেশ শিবিরে। কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালায় নেপাল-কিরগিজ যুব দল ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ায় সবার আগে ২৯ মার্চের ফাইনালে উঠে গেছে বাংলাদেশ। আগামীকাল স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে তাই বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে পেয়ে যাচ্ছেন গবেষণার অবারিত সুযোগ। নেপালের জন্য অবশ্য এই ড্র মোটেই সুখকর নয়। বাংলাদেশের বিপক্ষে পয়েন্ট না পেলে ঘরের আসরের ফাইনালে দর্শক হয়ে যেতে হতে পারে তাদের।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোনো আসরে সেভাবে ফাইনাল খেলারই সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। আর এতটা নির্ভার হয়ে ফাইনালের আগে ম্যাচ খেলার সুযোগ কখনো এসেছে কিনা সেটা নিয়েও গবেষণা হতে পারে। জেমি ডে অবশ্য এ নিয়ে মোটেই চিন্তিত নন। বরং পরীক্ষা-নিরীক্ষা আরেকটা সুযোগ তাকে দিয়েছে অন্যরকম সুখানভূতি। কিরগিজ যুবাদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে উপহারের (আত্মঘাতী) গোলের জয়টাই কোচকে দিয়েছে এই সুযোগ। কোচ তো আগের দিনই বলে দিয়েছেন, ‘একটি ম্যাচ (ফাইনাল) বেশি খেলার সুযোগ পেলে নেপালের ম্যাচে আমরা আরও বেশিসংখ্যক খেলোয়াড়কে পরখ করে দেখার সুযোগ পাব। আমি চাই আন্তর্জাতিক মঞ্চে খেলার সুযোগ পেয়ে তরুণরা কেমন করে সেটা দেখতে।’