নিজের প্রতিটি ছবিই সন্তানের মতো

গ্ল্যামারাস চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা অভিনীত ‘গন্তব্য’ ছবিটি এখন প্রেক্ষাগৃহে। নতুন দুটি ছবির কাজ করছেন। পাশাপাশি চলছে মডেলিং। এসব নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ

প্রেক্ষাগৃহে ‘গন্তব্য’...

গত সপ্তাহে দেশের ৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে অরণ্য পলাশ পরিচালিত ছবি ‘গন্তব্য’। ছবিটির গল্প আমাকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করেছিল। এখানে ১৯৭১ সাল ও সমসাময়িক সময়ের দুটি গল্প পাশাপাশি বলা হয়েছে। নায়ক হিসেবে পেয়েছি প্রিয় অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদকে। আমি এরই মধ্যে লুকিয়ে হলে গিয়ে ছবিটি দেখেছি। দর্শকের প্রতিক্রিয়া বেশ ভালো ছিল। তবে শিল্পী হিসেবে আমার দু-এক জায়গায় মন ভরেনি। বিশেষ করে সাউন্ডের সমস্যা অনুভব করেছি। এর বেশি কিছু বলতে চাই না। কারণ, নিজের প্রতিটি ছবিই সন্তানের মতো। করার সময় যে প্রত্যাশা নিয়ে করি, স্ক্রিনে সব সময় সেই প্রত্যাশা পূরণ হবে এমন কথা নেই।

একসঙ্গে ১০ ছবি...

প্রযোজনা সংস্থা শাপলা মিডিয়া ১০০ ছবি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে, এ কথা সবাই জানে। আমি সৌভাগ্যবান যে সেই ছবিগুলোর মধ্যে ১০টি ছবিতে নায়িকা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এরই মধ্যে দুটি ছবির কাজ শুরু করেছি। একটির নাম ‘চৈত্র দুপুর’, অন্যটি ‘হৃদ মাঝারে তুমি’। ‘হৃদ মাঝারে তুমি’ ছবিটি নির্দেশনা দিচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান বাবু। বিপরীতে আছেন সাঞ্জু জন। এবারই প্রথম নায়ক-নায়িকা হিসেবে কাজ করছি। এখনো বেশিরভাগ কাজ বাকি।

নারীপ্রধান গল্পে...

‘চৈত্র দুপুর’ ছবিটির কাজ শেষ। শুধু দুটি গানের শ্যুটিং বাকি। ছবিটি লিখেছেন আমাদের দেশের গুণী অভিনেতা মাসুম আজিজ। তিনি কী ধরনের কাজ করেন সেটা সবাই জানেন। আর ছবিটি পরিচালনা করছেন জেসমিন আক্তার নদী। এই প্রথম কোনো নারী পরিচালকের সঙ্গে কাজ করলাম। সব মিলিয়ে খুবই প্রাণের কাছের একটি ছবি এটি। মাস্টার্স পাস করা গরিব পরিবারের একটি মেয়ের স্ট্রাগলের গল্প নিয়ে ছবিটি। সে অনেক চেষ্টা করে তিন বোন, মা-বাবাকে নিয়ে একটু সচ্ছল হয়ে বাঁচতে। একটি চাকরির জন্য তাকে সীমাহীন বৈরী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। পরিচালক নারী বলেই হয়ত এমন একটি নারীপ্রধান গল্প পছন্দ করেছেন। সহশিল্পী হিসেবেও পেয়েছি মাসুম আজিজকে। আরও আছেন সাবিহা জামান, আমান রেজা, আরমান পারভেজ মুরাদ।

ঢালিউড নিয়ে ডকু ফিল্ম...

চলচ্চিত্রের বাইরে নিয়মিত বিজ্ঞাপনের কাজ করছি। তবে সম্প্রতি একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম করে খুব ভালো লেগেছে। আসিক মোস্তফা পরিচালিত এই ডকু ফিল্মের নাম ‘থার্টি ফাইভ মিলিমিটার’। বুঝতেই পারছেন এটি চলচ্চিত্রবিষয়ক ডকুমেন্টারি। ডিজিটাল ফিল্ম আসার আগে ঢালিউডে থার্টি ফাইভ মিলিমিটারে কাজ হতো। সেই সময়ের কিছু বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পরিচালক তার কাজের ক্ষেত্রে সৎ। তাই কাজটি নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছি।