কার স্বার্থে মিল্ক ভিটার দাম বৃদ্ধি প্রশ্ন ক্যাবের

করোনা মহামারী ও আসছে রমজানের আগে সরকারি মালিকানাধীন মিল্ক ভিটা লিটারপ্রতি দুধের দাম ১০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এতে বর্তমানে লিটারপ্রতি মিল্কভিটা পাস্তুরিত তরল দুধের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৫ টাকা। তাদের অনুসরণ করে অন্য কোম্পানিগুলোও দুধের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ভোক্তার কথা বিবেচনা না করে রমজানের আগে এ দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছে ভোক্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চট্টগ্রাম নগরী শাখা। একই সঙ্গে আগের দামে দুধ বিক্রিরও দাবি জানানো হয়। গতকাল রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির মালিকানাধীন মিল্ক ভিটা ২০০৯ সাল থেকে তাদের উৎপাদিত দুধের দাম এই নিয়ে ৮ বার বাড়িয়েছে। দুধের প্যাকেট ছোট হলে লিটারপ্রতি ভোক্তাদেরও বেশি হারে দাম গুনতে হবে। এক লিটারের প্যাকেট ৭৫ টাকায় বিক্রি হলে আধা লিটারের জন্য দাম গুনতে হচ্ছে ৪০ টাকা। আবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, মিল্ক ভিটার দুধের প্রাপ্যতাও সন্তোষজনক নয়। মিল্ক ভিটা কর্র্তৃপক্ষের এই উপর্যুপরি দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। ৫২-৫৫ টাকা লিটার দামে আগে থেকেই চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় দাম বৃদ্ধির সুফল খামারি পর্যায়ে যাবে না। বেসরকারি খাতের ডেইরি কোম্পানিগুলো দুধের দাম বাড়ানোর জন্য মিল্ক ভিটাকে দিয়ে দুধের দাম বাড়াতে তাদের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এটা করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাধারণ মানুষের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশি গুঁড়া দুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর লক্ষ্যে এই সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু মিল্ক ভিটা কর্র্তৃপক্ষ সেদিকে নজর না দিয়ে ভোক্তাদের পকেট কাটতেই যেন ব্যস্ত। আর সেখানে ক্ষুদ্র ক্রেতাদের ওপরই খড়গটি বেশি করে চেপে বসেছে। তাই অবিলম্বে মিল্ক ভিটার দুধের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে যুক্তিসংগত পর্যায়ে আনার দাবি জানায় তারা।