নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রিসোর্টে নারীসহ হেফাজত নেতা মামুনুল হককে ঘেরাওয়ের পর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আরও তিনটি মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবারে সোনারগাঁ থানায় করা এসব মামলার মধ্যে একটিতে মামুনুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, এই ঘটনায় এ নিয়ে ছয়টি মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে একটি ও শুক্রবার দুপুরে দুটি মামলা হয়। ওই ছয় মামলার দুটিতে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে আসামি করা হয়েছে।
ওসি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনির বাবা শাহ জামাল তোতা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামের সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। যুবলীগের প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন একটি মামলা করেন শুক্রবার দুপুরে। ওই মামলায় স্থানীয় হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপির ১১১ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় হেফাজতের নেতা মামুনুল হককে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এদিন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম হেফাজত ও বিএনপির ১১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা করেন।
এদিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গতকাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হেফাজতে ইসলামের কর্মী খালেদ সাইফুল্লাহ (৩৪), কাজী সমির (৩২), অহিদুল ইসলাম (৩৬) ও আব্দুল আউয়ালকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে। আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে হেফাজতের ৭ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।