২২২ রানের লক্ষ্য ছোড়ে দিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। যা তাড়া করতে নেমে সঞ্জু স্যামসন খেললেন ১১৯ রানের দারুণ এক ইনিংস। এরপরও রাজস্থান রয়্যালসকে হারতে হলো ৪ রানে।
সোমবার দুই দলই আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে। রাজস্থান এদিন মাঠে নামে বাংলাদেশি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে। শুরু থেকেই পাঞ্জাব কিংস ব্যাটারদের দাপটে মোস্তাফিজ অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি। ৪ ওভার বল করেছেন, ৪৫ রান খরচায় ছিলেন উইকেট শূন্য।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাজস্থানের শুরুটা মোটেও সুবিধার হয়নি। ইনিংসের তৃতীয় বলে বেন স্টোকস ফিরে যান ব্যক্তিগত শূন্য রানে। আরেক ওপেনার মনন ভোহরাও ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। বাটলারের ব্যাট থেকে ২৫ ও দুবের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান।
কিন্তু সঞ্জু স্যামসন ছিলেন অসাধারণ। তাতে এক পর্যায়ে ম্যাচ হাতে চলে আসে রাজস্থানের। শেষ ৪ ওভারে দরকার পড়ে ৪৮ রান। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৩ রান। পাঞ্জাব অধিনায়ক লোকেশ রাহুল বল তুলে দেন আর্শদীপের হাতে। প্রথম বল ডট দেওয়ার পর পরের দুই বলে দেন সিঙ্গেল।
চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকান স্যামসন। পরের বলে রান নেওয়ার সুযোগ থাকলেও নেননি স্যামসন। ক্রিস মরিস দৌড়ে অনেকটা চলে যাওয়ার পরও তাকে ফিরিয়ে দেন স্ট্রাইকে থেকে যাওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত অবশ্য শেষ বলে দীপক হুদার হাতে ক্যাচ হন স্যামসন।
৬৩ বলে ১২ চার ও ৭ ছক্কায় ১১৯ রান করেন স্যামসন। ৫৪ বলে আইপিএলে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরিটি তুলে নেন তিনি। রিয়ান পরাগ করেন ১১ বলে ২৫ রান।
দলকে জিতাতে না পারলেও অনেকগুলো কীর্তি গড়েছেন স্যামসন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে দুটির বেশি আইপিএল সেঞ্চুরি হলো তার। এ ছাড়া রাজস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানটি এখন তার। এ ছাড়া আইপিএল ইতিহাসে অধিনায়কত্বের অভিষেকে সর্বোচ্চ ইনিংসও এখন তার।
রাজস্থানের পক্ষে আর্শদীপ সর্বাধিক ৩ উইকেট নিয়েছেন। ২ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ শামি।
এর আগে পাঞ্জাবের পক্ষে লোকেশ রাহুল ৫০ বলে ৯১ রানের ইনিংস খেলেন ৭ চার ও ৫ ছক্কায়। হুদা ২৮ বলে ৬৪ রান করেন ৪ চার ও ৬ ছক্কায়। ক্রিস গেইল খেলেন ২৮ বলে ৪০ রানের ইনিংস।
রাজস্থানের পক্ষে চেতন সাকারিয়া ৩টি ও ক্রিস মরিস ২ উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন সঞ্জু স্যামসন।