ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) নির্বাচন স্থগিত প্রশ্নে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের ৫ মে’র ঘোষিত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটি এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। নির্বাচন স্থগিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বণিজ্য সংগঠন-২ শাখার পরিচালকের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে গত ৭ এপ্রিল জারি করা স্মারকের সংশ্লিষ্ট ধারা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতি ও সরকার ঘোষিত লকডাউনের মধ্যে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এফবিসিসিআইয়ের জেনারেল বডির একজন সদস্য ও ভোটার আমির উদ্দিন বিপু এই রিট আবেদনটি করেন। ভিডিও কনফারেন্সে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। আগামী ৫ মে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত ৭ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ট্রেড অর্গানাইজেশন পরিচালক জারিকৃত নোটিসে নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান রাখার কথা উল্লেখ করা হয়। স্মারকের ৩ নং শর্তে বলা হয়, ‘যে সকল বাণিজ্য সংগঠন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন এবং নির্বাচন বোর্ড কর্র্তৃক ঘোষিত তফসিল মোতাবেক নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে, সে সকল বাণিজ্য সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো বাধা নেই। আবার একই স্মারকে এসব কার্যাবলি চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করার কথা বলা হয়।’ তিনি বলেন, ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্সের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ট্রেড অর্গানাইজেশন। কিন্তু কভিড- ১৯ পরিস্থিতিতে তো মন্ত্রণালয়ই বন্ধ রয়েছে। তাহলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে কীভাবে? নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে গত ১৪ এপ্রিল রিটকারী আবেদনটি করেন।