জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া ক্যারিয়ারে দারুণ সময় পার করছেন। বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করছেন। সদ্য মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘যদি কিন্তু তবুও’। ফিরেছেন উপস্থাপনায়ও। এসব নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন রণ
উপস্থাপনা...
উপস্থাপনা দিয়ে আমার শোবিজ ক্যারিয়ার শুরু। বলতে গেলে তারকা খ্যাতিও পেয়েছি উপস্থাপক হিসেবে। তাই এই কাজটিকে মন থেকে অন্যরকম শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। তবে এখন অভিনয় ও অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে সেভাবে উপস্থাপনায় সময় দিতে পারি না। কিন্তু উপস্থাপনা আমার ভেতরেই আছে। এখনো উপস্থাপনা করতে সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এবার বেশ বিরতি দিয়ে উপস্থাপনা করলাম। প্রথমে মনে হচ্ছিল আমি ঠিকমতো পারব তো? কিন্তু ক্যামেরা চালু হওয়ার পর যেন আগের সেই নুসরাত ফারিয়া হয়ে গেলাম। এক দিনে এক সপ্তাহের কাজ শেষ করেছি। সাবলীল না হলে এত কাজ একদিনে শেষ করা যায় না। অনুষ্ঠানের আইডিয়াটাও আমার বেশ ভালো লেগেছে। অনুষ্ঠানের নাম ‘কুইক রেসিপি’। যদিও এটা রান্না বিষয়ক শো। কিন্তু এত চ্যানেলে এত রান্নার অনুষ্ঠানের মধ্যে আমারটা মানুষ কেন দেখবে? সেটা বিবেচনা করেই কাজ করেছি। এখানে আমার সঙ্গে একজন বিষেশজ্ঞ পুষ্টিবিদ থাকছেন, যিনি এই বৈরী সময়ে ইফতার ও সাহরিতে কী ধরনের খাবার শরীরের জন্য ভালো তা পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা সেভাবেই খাবারের আইটেমগুলো প্রস্তুত করেছি। অনুষ্ঠানটি একযোগে অনেকগুলো টিভি চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে পুরো রমজান জুড়ে।
যদি কিন্তু তবুও...
অভিনয়ের ওপর আমার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। এমনি অভিনয় করব কখনো, সেটাও ভাবিনি ছোটবেলায়। তাই কাজ করতে করতে নিজেকে আপডেট করার চেষ্টা করছি। অভিনয় করছি কয়েক বছর হয়ে গেল। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিককার অভিনয়ের চেয়ে এখনকার অভিনয় বাস্তবসম্মত হবে। ‘যদি কিন্তু তবুও’ সিনেমাতেও আমার অভিনয় দিয়ে দর্শকের বেশ ভালো রেসপন্স পেয়েছি। সিনেমাটিতে আমার নিজের কণ্ঠে একটি গান রয়েছে। একই সঙ্গে সেই গানের জন্যও প্রশংসা পাচ্ছি। তরুণীরা আমার মেকাপ ও পোশাকের প্রশংসা করেছেন। সব মিলিয়ে এটা একটা সফল কাজ বলতে হবে। যারা দেখেননি, জি ফাইভে গিয়ে দেখে নিতে পারেন। ছবিতে প্রথমবার অপূর্বর সঙ্গে কাজ করেছি। শিহাব শাহিনের মতো গুণী নির্মাতার পরিচালনাতেও প্রথম। গল্পটি চেনা, এ সময়ের। তবে সেটির উপস্থাপন কৌশলে বেশ নতুনত্ব রয়েছে। সেটি দর্শকের ভালো লাগছে বলে আমার বিশ্বাস ।
বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক...
বঙ্গবন্ধু বায়োপিকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এক কথায় অবিস্মরণীয়। এটা যে কোনো শিল্পীর জন্য গৌরবের বিষয়। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো শক্তিশালী নারী চরিত্র পর্দায় তুলে ধরছি। একইসঙ্গে এটি দায়িত্বের এবং আনন্দের। চেষ্টা করেছি শ্যাম বেনেগালেন নির্দেশনা মতো নিজেকে মেলে ধরতে। বাকিটা ছবি দেখার পর দর্শক বিচার করবেন। এখনো ছবির কিছু অংশের শ্যুটিং বাকি রয়েছে।