বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ৩ করোনা রোগী

দেশে করোনার ভারতীয় ডাবল মিউট্যান্ট ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রোধে দেশটির সঙ্গে স্থলপথে যাত্রী চলাচল আপাতত ১৪ দিন বন্ধ রেখেছে

সরকার। তবে সীমান্তের ওপারে ভারতে আটকেপড়া যাত্রীরা বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। যাত্রী চলাচল বন্ধ ঘোষণার পর তিন দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগীসহ ৫১০ জন বাংলাদেশি বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ১০৯ জন ভারতীয় নাগরিক ফিরে গেছেন তাদের দেশে।

এদিকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের বেনাপোলের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার ৭টি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। যেখানে তাদের থাকতে হচ্ছে নিজ খরচে। চিকিৎসা শেষে কাছে টাকা না থাকায় ভারত ফেরত এসব বাংলাদেশিকে অনেকেই দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা সায়েম নামে এক যাত্রী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভারতে গিয়ে চিকিৎসার পেছনে সব টাকা শেষ। এখন এখানে খাবার-দাবার কেনাসহ অন্যান্য খরচের জন্য হাতে বলতে গেলে কোনো টাকাই নেই। তার ওপর আবার সরকারি নির্দেশনা মানতে নিজ খরচে এখানে কোয়ারেন্টাইনে দুঃসময় পার করতে হচ্ছে। সরকারের উচিত এসব দিকে নজর দেওয়া।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আশরাফুজ্জামান জানান, ভারত ফেরত বাংলাদেশিদের বেনাপোল বন্দর এলাকার সাতটি আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। সেখানে সব খরচ যাত্রীদের বহন করতে হচ্ছে। এছাড়া ফেরত আসা তিন বাংলাদেশি করোনা পজিটিভ যাত্রীকে যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি আহসান হাবিব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভারতের বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনারের ছাড়পত্র থাকায় দেশটিতে আটকেপড়া ৫১০ জন যাত্রী ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন। আর বাংলাদেশ থেকে ৬৭ জন ভারতীয় নাগরিক তাদের দেশে ফিরেছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাংলাদেশি কোনো পাসপোর্টধারী যাত্রী নতুন করে ভারতে যায়নি এবং ভারত থেকেও আসেনি।’