‘লকডাউন’ নিয়ে রিট

আদালতে অনুপস্থিত আইনজীবীকে জরিমানা হাইকোর্টের

করোনাভাইরাস সংক্রম রোধে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধের (লকডাউন) বৈধতা নিয়ে রিট আবেদন করে আদালতে উপস্থিত না থাকা এবং আদালতের সময় নষ্ট করায় আবেদনকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। একই সঙ্গে রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। আদেশকালে ওই আইনজীবীর প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট।

সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া মানুষের চলাচল ও কার্যক্রমে সরকার কোনো বিধিনিষেধ দিতে পারে নাÑ এমন যুক্তিতে গত ২৫ এপ্রিল অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ আবেদনটি করেন। আবেদনটি হাইকোর্টের এ বেঞ্চে গত ২৭ এপ্রিল উপস্থাপনের পর এটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। ২ মে তালিকায় আসলে আদালত আদেশের জন্য ৪ মে ধার্য করে। কিন্তু ওইদিন আইনজীবী ইউনুছ আলী ভার্চুয়াল আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল রিট আবেদনটি খারিজ করে জরিমানার এ আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) অরবিন্দ কুমার রায় ও বিপুল বাগমার উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অরবন্দি কুমার রায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রিট আবেদন করেও আইনজীবী অনুপস্থিত। এতে সংগত কারণেই হাইকোর্ট উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তার অনুপস্থিতির কারণে আবেদনটি খারিজ করে ওই আইনজীবীকে জরিমানা করেছেন আদালত।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচার বিভাগ নিয়ে কটু মন্তব্য করে আদালত অবমাননা করায় গত বছর ১২ অক্টোবর আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশায় তিন মাস বিরত থাকা, ২৫ হাজার টাকা অর্থদ- অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদ-ের নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ।