খুলনা বিভাগে করোনা শনাক্ত ৩২ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৫৯০

খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৯০ জনের। করোনায় মৃত ও আক্রান্তের দিক থেকে বিভাগে শীর্ষে রয়েছে খুলনা জেলা। খুলনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মারা গেছেন ১৫৬ জন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় শনাক্ত হয়েছে ৩২ হাজার ১৫ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৯০ জনের। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯ হাজার ৩৪৭ জন।

তবে বিভাগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার দিক থেকে খুলনা জেলা শীর্ষে রয়েছে। এ পর্যন্ত  জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৪৩৩ জন। মারা গেছেন ১৫৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ২৮৬ জন।

এ ছাড়া বাগেরহাটে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪২১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩২৪ জন। সাতক্ষীরায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩০৩ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ২২২ জন। যশোরে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৪৯৭ জন। মারা গেছেন ৭৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার জন। নড়াইলে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৩০ জন। মারা গেছেন ২৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৮ জন। মাগুরায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৩৭ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৪৯ জন। ঝিনাইদহে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৯৭ জন। মারা গেছেন ৫৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫৭৬ জন। কুষ্টিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৬ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১০৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৬৫ জন। চুয়াডাঙ্গায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৮ জন। মারা গেছেন ৫২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৮ জন। সর্বনিম্নে রয়েছে মেহেরপুর। এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯২৩ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৭৯৯ জন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, খুলনায় করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০ জন। যার মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ৫ জন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশেদা সুলতানা বলেন, খুলনা ও যশোরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। পজিটিভ রোগীকে আইসোলেশন করে রাখা এবং তার সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ব্যক্তিদেরও আইসোলেশন করে রাখতে পারলে সংক্রমণ ছড়াবে না। আর এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে চলেছে।  এ ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোনোভাবেই চলাচল করা যাবে না।