সাকিব-ফিজদের নিয়েই লঙ্কা সিরিজের অনুশীলন শুরু

ঈদের পর শ্রীলঙ্কা সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন শুরু হয়েছে কাল। তবে বৃষ্টির কারণে তেমন কিছু হয়নি। বিকেলের ভারী বর্ষণে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের মাঠ ভেজা থাকায় ফুটবল খেলাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। উদ্দেশ্য ছিল বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে  সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ফ্লাডলাইটের আলোয় নিজেদের অভ্যস্ত করে নেওয়া। কিন্তু তা হয়নি। তবে কোয়ারেন্টাইন শেষ করে প্রথম দিনের অনুশীলনেই যোগ দিয়েছেন আইপিএলফেরত সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনুশীলন দলের। এদিকে তিন দিনের রুম কোয়ারেন্টাইন শেষে অতিথি শ্রীলঙ্কাও আজ দুপুর ২টা থেকে প্রথম অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছে।  

স্থগিত আইপিএল থেকে ফিরে গত ৬ মে থেকে ঢাকার দুটি হোটেলে রুম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন সাকিব ও মোস্তাফিজ। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে ২০ তারিখ দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা ছিল সাকিব-মোস্তাফিজের। ১২ দিনে মোট তিনবার করোনা টেস্টে নেগেটিভ আসায় তাদের নিয়ে ঝুঁকি ছিল না। তাই সোমবার রাতেই বাড়ি ফিরে যান দুই ক্রিকেটার। গতকাল দুপুরের পর দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেন। সাকিব ও মোস্তাফিজ দুজনই গা-গরমের জন্য ফুটবল খেলেন। ১৪ দিনের আগেই দুজনের অনুশীলনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বিসিবির চিকিৎসক মনজুর হোসাইন চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে জানান, ‘আসলে ৬ মে থেকে তাদের কোয়ারেন্টাইন গণনা করা হয়েছে। আর এই সময়ে তিনবার তারা কভিড টেস্টে নেগেটিভ এসেছেন। এজন্য একদিন আগে (গতকাল) অনুশীলনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ঝুঁকির কিছু ছিল না। এখানে বিশেষ অনুমতি বা ওইরকম কিছু নেই। একদিন তো খুব একটা পার্থক্যও রাখে না, তাই তাদেরকে অনুশীলনে আসতে দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে সিরিজ উপলক্ষে বায়ো-বাবলে প্রবেশ করার আগে করোনা টেস্ট দিতে হয়েছে প্রাথমিক দলের সবাইকে। তিন দিন আগে প্রথমবার করোনা টেস্টের জন্য ক্রিকেটারদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওই টেস্টের পর গতকাল দ্বিতীয় টেস্টের রিপোর্টেও নেগেটিভ এসেছে সবার। তাই সন্ধ্যার পর রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে উঠে যান তারা। হোটেলটিতে আগে থেকেই আছে শ্রীলঙ্কা। দু’দলের জন্য হোটেলের ওপরের তিন তলা আলাদা রাখা হয়েছে। এই অংশে সেবাদাতা কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও আগে থেকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান বিসিবির চিকিৎসক মনজুর হোসেন। এ ছাড়া এই সিরিজের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাপোর্ট স্টাফ, গ্রাউন্ডসম্যান, ম্যাচ অফিশিয়াল ও সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা সবার কভিড টেস্ট করানো হয়। সবারই ফল নেগেটিভ এসেছে।