দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের পর মাথার চুল কেটে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল রবিবার পার্বতীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সুরমা আক্তার স্মৃতি নিজেই। অভিযোগে তিনি বলেছেন, তার দুই বছরের শিশুকেও আটকে রেখেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এর আগে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেও সহায়তা চান স্মৃতি। পরে পুলিশ অভিযুক্ত রুহুল আমিনকে আটক করেছে।
অভিযোগের বরাত দিয়ে পার্বতীপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা জানান, উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া পাড়া গ্রামের মোঃ রুহুল আমিনের (২৬) সঙ্গে চার বছর আগে বিয়ে হয় রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাশান ডোবা গ্রামের আজিবর রহমানের মেয়ে সুরমা আক্তার স্মৃতির (২২)। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্মৃতির ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন স্বামী রুহুল আমিন। সর্বশেষ গত শনিবার রুহুল আমিন স্মৃতিকে বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা আনতে বলেন। কিন্তু স্মৃতি টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রুহুল আমিনসহ তার পরিবারের সদস্যরা শারীরিক নির্যাতন করে। পরে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি মো. ইমাম জাফর বলেন, ‘ভুক্তভোগী সুরমা আক্তার স্মৃতি ৯৯৯-এ ফোন করেছিল। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে তার মায়ের হেফাজতে দিয়েছে। এছাড়া স্মৃতির কোলের শিশুকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’