ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ৯ বছর পর ধরা

ঢাকার ধামরাইয়ে আলোচিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক সেনাসদস্য নাজমুল ইসলাম পান্নুকে হত্যার ঘটনায় পালিয়ে থাকা ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুর রশিদকে (৫০) নয় বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে ধামরাইয়ের চৌহাট ইউনিয়নের চৌহাট গ্রাম থেকে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে তাকে আদালতে পাঠায় ধামরাই থানা পুলিশ।

আব্দুর রশিদ উপজেলার চৌহাট গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে। তিনি হত্যাকান্ডের পর ২০১২ সাল থেকে পলাতক ছিলেন। তবে তাকে ফাঁসির দ-াদেশ দেওয়া হয় ২০১৪ সালে। তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

পুলিশ জানায়, ২০১২ সালের ৬ মার্চ ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় সাবেক সেনাসদস্য নাজমুল ইসলাম পান্নু হত্যাকা-ের শিকার হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হাসু বেগম বাদী হয়ে ১৫ জনের নামে ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ১৫ জনের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হলে ২০১৪ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ বিচারিক আদালত আব্দুর রশিদকে ফাঁসি ও ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মোকছেদ, বিপ্লব, মনির, রাজন, আসাদ ও গ্রামপুলিশ সিদ্দিকুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডা দেশ দেয়। অন্য আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফাঁসির আসামি আব্দুর রশিদ ও যাবজ্জীবন দন্ডাদেশ পাওয়া বিপ্লব ও রাজন পলাতক ছিলেন। মামলার অন্য আসামিরা জেলহাজতে রয়েছেন।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান জানান, ধামরাইয়ে আলোচিত সেনাসদস্য নাজমুল ইসলাম পান্নু হত্যা মামলায় ফাঁসি ও যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশের আসামিসহ মোট তিনজন পলাতক ছিলেন। তাদের মধ্যে ফাঁসির আসামি আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে গতকাল দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।