লোডশেডিং বাড়ায় ইরানে ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং বন্ধ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ার মুখে সব ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সির মাইনিং পরবর্তী চার মাস বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইরান সরকার।

দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বুধবার বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের মাইনিং অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে।

তিনি টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে বলেন, ‘এখন সবারই মাইনার আছে। তারা বিটকয়েন তৈরি করে।’

বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি এমন ডিজিটাল মুদ্রা যা জটিল গাণিতিক হিসাব সমাধানের মাধ্যমে সংখ্যায় অর্জন করতে হয়। এই হিসাবের পদ্ধতির নাম মাইনিং। যারা কাজটি করেন তাদের মাইনার বলা হয়।

হাজার-হাজার মাইনার দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা উচ্চ-ক্ষমতার বিশেষ কম্পিউটারের মাধ্যমে মাইনিং করেন। প্রতিযোগীদের আগে কে কী পরিমাণ অর্থের বিটকয়েন তৈরি করতে পারেন, সেই লড়াই চলে তাদের। এতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হয়।

এই প্রক্রিয়া অধিকাংশ সময় জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে কয়লা দ্বারা উৎপাদিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করে।

বিটকয়েন মাইনারদের মধ্যে চীনাদের প্রভাব বেশি। পৃথিবীর ৭৫ শতাংশের বেশি বিটকয়েন মাইনিং হয় চীনে।

বিটকয়েনের কারণে চীনে যে পরিমাণ গ্রিন হাউজ গ্যাস উৎপন্ন হয়, তা দেশটির দশটি বড় শহরের প্রায় সমান!

বৃষ্টির মৌসুমে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিটকয়েন মাইনাররা কয়লা দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ অনেক বেশি ব্যবহার করেন।