কুমিল্লার বরুড়ায় শিউলি আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বামীর পরিবার বলছে, ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের পিতার দাবি, শিউলিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
রবিবার সকালে উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের মুড়িয়ারা (শীতলপুর) গ্রামে ওই গৃহবধূর স্বামীর ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শিউলি ওই গ্রামের মো. সীমার হোসেনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের পূর্বপাড়ার জয়নাল মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এদিন সকালে স্বামীর ঘরের একটি কক্ষে শিউলির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। পরে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ওই গৃহবধূর পিতা জয়নালের দাবি, যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মেয়ে হত্যার বিচার দাবি করেছেন।
বরুড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। এখন এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে।