রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানার বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ড বরাদ্দে অনিয়মের সতত্য পাওয়া গেছে। নিজের চাচি শাশুড়ি, শিক্ষক, চিকিৎসক ও ব্যবসায়ীসহ ধনীদের নামে ভিজিডি কার্ড করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসরাত সুমি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এইচ এম মনিরুজ্জামান রব্বানীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। বুধবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত কমিটির প্রধান এ এইচ এম মনিরুজ্জামান রব্বানী দেশ রূপান্তরকে জানান, বুধবার তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসরাত সুমি দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানার বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডে অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই শেষে তদন্ত প্রতিবেদন ইতিমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সোমবার এ বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে এর আগে সোহেল রানা দেশ রূপান্তরকে বলেন, কিছু অনিয়ম হলেও ভিজিডি কার্ডে আমার শাশুড়ির নামের তথ্যটি মিথ্যা।
২০১৯ সালে ভিজিএফএর চাল চুরির অভিযোগে রংপুর র্যাব ১৩ ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার এবং তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। কিছুদিন পর মামলা থেকে জামিন নিয়ে আবারও নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।