রংপুরের পীরগঞ্জে পুত্রবধূর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় কপিল উদ্দিন (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। নিহত স্ত্রীর নাম পোশাগী বেগম (৫৫)
কপিল উদ্দিন উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরাবাদ মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, কফিল উদ্দিনের ছেলে স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ছেলের অনুপস্থিতিতে শ্বশুর কপিল উদ্দিন পুত্রবধূ মনিরা বেগমের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে বেশ কয়েকবার সালিস বৈঠকও হয়। সেখানে কপিল উদ্দিন নিজের দোষ স্বীকার করে আর এমন হবে না বলে ক্ষমা চান। গত ২৭ মে গভীর রাতে কফিল উদ্দিন ও তার পুত্রবধূরকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলেন পোশাগী বেগম।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কফিল উদ্দিন তার স্ত্রী পোশাগীকে বেদম মারপিট করেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পোশাগী বেগমের ছোট ভাই মীর মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে তার ভগ্নিপতি কফিল উদ্দিন, ভাগ্নে বদরুল ও তার স্ত্রী মনিরা বেগমকে আসামি করে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পীরগঞ্জ থানার ওসি সরেস চন্দ্র বলেন, এ ঘটনায় কফিল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।