চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে বন বিভাগ ও ‘দখলদারদের’ সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে কোদালা বন বিট কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এর মধ্যে হোসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈনু এবং উপজেলা যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের আট নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হলেও বাকিদের অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবেই এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুই নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন হোসনাবাদ এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী জায়াতুন নুর (৪৫), মোহাম্মদ সোলায়মানের স্ত্রী রিকো আক্তার (২৪), মোহাম্মদ বাহাদুরের ছেলে মোহাম্মদ আরাফাত (১৬), জসিম উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ রহিম (২৫), মৃত হাশেম ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ শফি (৪০), মোহাম্মদ আলীর ছেলে আক্কাস আলী (৪৭) ও আবদুল মোতালেবের ছেলে আলতাপ (৫৫)।
রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ওসি মাহবুব মিল্কী জানান, সংঘর্ষের পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। দুই নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
গত সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা বন বিটে শেখ রাসেল এভিয়ারি অ্যান্ড ইকো পার্কের দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর এলাকায় বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ‘দখলদারদের’ মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বন বিভাগের এক রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২৭ জন আহত হন বলে জানা যায়। বন বিভাগের দাবি, তাদের জায়গায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা চালায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকর্মী ও দখলকারীরা