কোভ্যাক্স থেকে ১০ লাখ ৮০০ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কবে নাগাদ এই টিকা আসবে, সেটি নিশ্চিত করা না গেলেও শিগগিরই পাওয়ার আশা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ ছাড়া চীনের উপহারের ৬ লাখ ডোজ টিকা আগামীকাল রবিবার বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির দূতাবাস। এর আগে গত ১২ মে চীনের উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা পায় বাংলাদেশ।
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। তবে অভ্যন্তরীণ সংকট দেখিয়ে দেশটি টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এতে দেশের প্রায় ১৪ লাখ মানুষ অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারছেন না। এ অবস্থায় সরকার আমেরিকার কাছে টিকা চেয়ে চিঠি দেয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণামধ্যমকে বলেন, ‘অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন (যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী) বৃহস্পতিবার আমার চিঠির জবাব দিয়েছেন। তিনি আমাকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়ার আশ^াস দিয়েছেন। তবে কবে, কী পরিমাণ টিকা পাঠাবেন, তা উল্লেখ করেননি।’ আর এই টিকা কোন উৎস থেকে আসছে, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করতে পারেননি।
এদিকে চীনের দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, দেশটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে দ্বিতীয়বারের মতো উপহার হিসেবে দেওয়া সিনোফার্মের টিকা ইতিমধ্যে বেইজিং বিমানবন্দরে রয়েছে। আগামীকাল রবিবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুটি বিশেষ বিমান বেইজিং যাবে। ওই দিন সন্ধ্যায় বা তার কিছু পরে টিকা নিয়ে বিমানটির হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। টিকা পরিবহনের পর বিমানের যতটুকু জায়গা ফাঁকা থাকবে তাতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে দেওয়া বিভিন্ন ধরনের মেডিকেল ইকুইপমেন্ট থাকবে।