লিবিয়া থেকে ইউরোপ যেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় ৪৩৯ অভিবাসন প্রত্যাশী আটক হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার লিবিয়ার কোস্টগার্ডের দুটি জাহাজের পৃথক অভিযানে এরা আটক হয়। এদের মধ্যে ১৬৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আটক বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছে লিবিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাস। এর আগে গত ১৮ মে তিউনিশিয়া হয়ে ইউরোপ যাওয়ার পথে নৌকাডুবি হয়। এ সময় তিউনিস নৌবাহিনীর সদস্যরা ৬৮ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় এখনো ১৩ বাংলাদেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, ‘দূতাবাস লিবিয়া সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশি অভিবাসন প্রত্যাশীদের আটকের কথা জেনেছে। এদের সবাইকে শেল্টার ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। দূতাবাসের কর্মকর্তারা এদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছেন। এছাড়া নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যারা আটক হয়েছেন তারা সবাই এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলের নাগরিক। তারা ইউরোপে যাওয়ার জন্য রাবারের নৌকায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিচ্ছিলেন। কোস্টগার্ডের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ কর্র্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।
জাতিসংঘের শরণার্থী হাইকমিশন ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুসারে, গত জানুয়ারি-মে মাসের মধ্যে ৯ হাজার ২১৬ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে সাগর থেকে উদ্ধার করা হয়। এই সময়ের মধ্যে ১১ হাজার অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ পৌঁছেছেন। আর মারা গেছেন সাত শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশী।