মেহেদির রং না মুছতেই বিয়ের ৪র্থ দিনের মাথায় আশুলিয়ায় নববধূ রিতুর (১৯) নিথর দেহ মিলল হাসপাতালে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী রুবেল মোল্লাকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতাল থেকে ওই নববধূর মরদেহটি উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা-পুলিশ ।
নিহত নববধূ রিতু আক্তার আশুলিয়ার খেজুরটেক এলাকার আবুল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় আলহাজ্ব জাফর ব্যাপারী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আটক নিহতের স্বামী অভিযুক্ত রুবেল মোল্লা আশুলিয়ার নিশ্চিতপুর এলাকার নিয়াজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে।
নিহতের ফুপাতো ভাই নাঈম ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রিতুর সঙ্গে রুবেলের বিয়ে হয়। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। হঠাৎ মঙ্গলবার রুবেলের পরিবার থেকে জানানো হয় মিতু অসুস্থ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরপর বুধবার সকালে আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে গেলে তার মরদেহ দেখতে পায় স্বজনরা। রিতুর গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরে আশুলিয়া থানায় খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্বজনদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন নিহতের পিতা আবুল হোসেন বাবু।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী রুবেলকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।