দন্ডিত পাপুলের আসন শূন্য ঘোষণার সিদ্ধান্ত আপিল বিভাগেও বহাল

লক্ষ্মীপুর-২ সংসদীয় আসন (পাপুলের আসন) শূন্য ঘোষণা ও সেখানে উপনির্বাচনের তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, সেটি আপিল বিভাগেও বহাল রয়েছে। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রিটকারীপক্ষের আবেদন গতকাল বৃহস্পতিবার খারিজের আদেশ দেয় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ। আদালতে রিটকারীপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। ৮ জুন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ আবেদনটি সরাসরি খারিজের এ আদেশ দেয়।

আসনটিতে স্বতন্ত্র সাংসদ সদস্য ছিলেন কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল, যিনি কুয়েতের একটি আদালতে দন্ডিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে তিনি কুয়েতের একটি কারাগারে বন্দি। আসনটি ফিরে পেতে পাপুলের বোন নুরুন্নাহার বেগম এবং পাপুলের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী শাহাদাত হোসেন নামে এক ব্যক্তি সম্প্রতি এ রিট আবেদনটি করেন। ২১ জুন লক্ষ্মীপুর-২ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে লক্ষ্মীপুর-২ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিট আবেদন খারিজ করে ১৪ জুন হাইকোর্টের দেওয়া আদেশটি বহাল রয়েছে আপিল বিভাগে। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের ওপর গতকাল কোনো আদেশ দেয়নি (নো অর্ডার) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ। ফলে হাইকোর্টের আদেশটি বহাল রইল এবং এ আসনে উপনির্বাচনে কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানান ডিএজি নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।